Site icon

তারাবির নামাজের নিয়ত কিভাবে করতে হয়

তারাবির নামাজ

তারাবির নামাজ

তারাবির নামাজের নিয়ত কিভাবে করতে হয়

তারাবির নামাজ

তারাবির নামাজ সুন্নত নাকি নফল

তারাবির নামাজ রমজান মাসের একটি বিশেষ সুন্নত নামাজ যা এশার ফরজ ও সুন্নতের পর এবং বিতরের আগে আদায় করা হয়।

রাকা’তের সংখ্যা:

২০ রাকা’ত আদায় করা সুন্নাতে মু’আক্কাদাহ।
৮ রাকা’তও আদায় করা যায়।
এর চেয়ে কম আদায় করা মাকরূহ।
তবে অসুস্থতা, ভ্রমণ, বৃদ্ধত্ব ইত্যাদি কারণে কম রাকা’ত আদায় করা যাবে।

নামাজের রীতি:

  1. দুই রাকা’ত একসাথে নামাজ আদায় করা হয়।
  2. প্রতি দুই রাকা’তের পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়া হয়।
  3. তিলাওয়াতে সুরা ফাতিহা ও অন্য কোন সুরা পাঠ করা হয়।
  4. দীর্ঘ তিলাওয়াতের সাথে নামাজ আদায় করা সুন্নত।

ফজিলত:

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,যে ব্যক্তি রমজান মাসে ইখলাস ও ঈমানের সাথে তারাবির নামাজ আদায় করে। তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। (বুখারি ও মুসলিম)

অন্য হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “তারাবিহ নামাজ জান্নাতের দরজা।” (তিরমিযি)

তারাবির নামাজের দোয়া

আমাদের দেশে তারাবি নামাজের জন্য বহুল প্রচলিত একটি দোয়া রয়েছে। দোয়াটি ব্যাপকভাবে পড়ার কারণে অনেক মানুষেরই তা মুখস্থ। প্রতি চার রাকাত পরপর যে দোয়াটি পড়া হয় তা হলো—


سُبْحانَ ذِي الْمُلْكِ وَالْمَلَكُوتِ سُبْحانَ ذِي الْعِزَّةِ وَالْعَظْمَةِ وَالْهَيْبَةِ وَالْقُدْرَةِ وَالْكِبْرِيَاءِ وَالْجَبَرُوْتِ * سُبْحَانَ الْمَلِكِ الْحَيِّ الَّذِيْ لَا يَنَامُ وَلَا يَمُوْتُ اَبَدًا اَبَدَ سُبُّوْحٌ قُدُّوْسٌ رَبُّنا وَرَبُّ المْلائِكَةِ وَالرُّوْحِ

উচ্চারণ : ‘সুবহা-নাজিল মুলকি ওয়াল মালাকুতি, সুবহা-নাজিল ইয্যাতি ওয়াল আঝমাতি ওয়াল হায়বাতি ওয়াল কুদরতি ওয়াল কিবরিয়া-য়ি ওয়াল জাবারূতি। সুবহা-নাল মালিকিল হাইয়্যিল্লাজি লা-ইয়ানা-মু ওয়ালা- ইয়ামুতু আবাদান আবাদা; সুব্বুহুন কুদ্দুসুন রব্বুনা-ওয়া রব্বুল মালা-য়িকাতি ওয়াররূহ।’


অনেকেই তারাবির নামাজের শেষে সম্মিলিতভাবে মোনাজাত করা হয়। অনেকে আবার ব্যক্তিগতভাবে মোনাজাত করে থাকেন। মোনাজাত সমবেত হোক আর একাকী, যে কোনো দোয়া দিয়ে মোনাজাত করা যাবে।

তারাবির নামাজের নিয়ম

তারাবির নামাজের নিয়ম:

নিয়তে বলতে হবে, “نَوَيْتُ أَنْ أُصَلِّيَ اللَّهَ تَعَالَى رَكْعَتَيْ تَرَاوِيْحٍ سُنَّةً رَسُولِ اللَّهِ تَعَالَى مُتَوَجِّهًا إِلَى الْكَعْبَةِ الشَّرِيفَةِ اللَّهُ أَكْبَرُ”

অর্থ: “আমি আল্লাহ তা’আলার জন্য দু রাক আত তারাবিহ নামাজ আদায় করার নিয়ত করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাঃ)’র সুন্নাহ অনুসারে, কাবা শরীফের দিকে মুখ করে। আল্লাহু আকবর।”

নামাজের রীতি:

  1. দু’রাক’আত করে নামাজ আদায় করা হবে।
  2. প্রতি দু’রাক’আতের পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়া হবে।
  3. তিলাওয়াতে সূরা ফাতিহা ও অন্য কোন সুরা পাঠ করা হবে।
  4. দীর্ঘ তিলাওয়াতের সাথে নামাজ আদায় করা সুন্নত।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

তারাবির নামাজ জামা’তে আদায় করা সুন্নত।
মহিলাদের জন্য ঘরে নামাজ আদায় করা উত্তম।
অসুস্থ, বৃদ্ধ, ভ্রমণকারী ইত্যাদিদের জন্য তারাবিহ নামাজ আদায় করা ওয়াজিব নয়।

মনে রাখবেন:

নামাজের পূর্বে ওযু অবশ্যই করতে হবে।
নামাজের সময় খুশু ও মনোযোগ দিয়ে নামাজ আদায় করতে হবে।
নামাজের পর দোয়া করতে হবে।

তারাবির নামাজ সুন্নত নাকি নফল

তারাবির নামাজ সুন্নত নাকি নফল

তারাবির নামাজ সুন্নত নাকি নফল

তারাবির নামাজ সুন্নতে মুয়াক্কাদা।

সুন্নতে মুয়াক্কাদা হলো এমন সুন্নত যা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নিয়মিতভাবে পালন করেছেন এবং তা ছেড়ে দেওয়ার জন্য তিরস্কার করেছেন।

তারাবির নামাজ সুন্নত নাকি নফল

তারাবির নামাজের ফজিলত:

অন্য হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “তারাবিহ নামাজ জান্নাতের দরজা।” (তিরমিযি)
তারাবির নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

তারাবির নামাজের চার রাকাত পরপর দোয়া

তারাবির নামাজের চার রাকাত পরপর দোয়া:

প্রতি চার রাকাত তারাবির নামাজের পর বিশ্রাম নেওয়া হয়। এই সময়ে নিম্নলিখিত দোয়া পড়ার প্রচলন রয়েছে:

সুবহানা-নাজিল মুলকি ওয়াল মালাকুতি, সুবহানা-নাজিল ইয্যাতি ওয়াল আঝমাতি ওয়াল হায়বাতি ওয়াল কুদরতি ওয়াল কিবরিয়া-য়ি ওয়াল জাবারূতি।

সুবহা-নাল মালিকিল হাইয়্যিল্লাজি লা-ইয়ানা-মু ওয়ালা- ইয়ামুতু আবাদান আবাদা; সুব্বুহুন কুদ্দুসুন রব্বুনা-ওয়া রব্বুল মালা-য়িকাতি ওয়াররূহ।

অর্থ:

কিছু দোয়া:

“আল্লাহুম্মাগফিরলি ওয়ালিওয়ালিদাইয়া ওয়ালিমু’মিনিনা ওয়ালমু’মিনাত।
“আল্লাহুম্মা ইয়াহ্‌দিনা ওয়াস্তুকিমনা ওয়াজ’আলনা মিনাল মুসলিমিনা।”

অর্থ:

হে আল্লাহ, আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে, মুমিন পুরুষ ও মহিলাদের ক্ষমা করে দিন।”
হে আল্লাহ, আমাদেরকে সঠিক পথ দেখান, স্থির রাখুন এবং আমাদেরকে মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত করুন।”

আরো জানুনঃ শবে বরাত

Exit mobile version