কি ফুলের মধু ভালো এবং কালোজিরা ফুলের মধু চেনার উপায়কি ফুলের মধু ভালো এবং কালোজিরা ফুলের মধু চেনার উপায়
কালোজিরা ফুলের মধু খাওয়ার নিয়ম

কালোজিরা ফুলের মধু খাওয়ার নিয়ম

বাচ্চা অথবা গর্ভবতী মহিলাদের জন্য উপসর্গ বুঝে পরিমাণ এবং সময়ের হেরফের করা যেতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে এই মধু অনেক উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন। অনিয়মিত অথবা ভুল প্রয়োগের ফলে হিতে বিপরীত হতে পারে। কালোজিরা মধু খালি খাওয়ার থেকে বাদাম বা অন্য কোন খাবারের সাথে গ্রহণ করলে বেশি পুষ্টিগুণ পাওয়া যায়। এই কারণে অনেকেই হানি নাট তৈরি করার সময় অন্যান্য মধুর সাথে কালোজিরা ফুলের মধু মিশ্রিত করে। আর একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের প্রতিদিন দুই বেলা করে কালোজিরার মধু খাওয়া উচিত। বিশেষ করে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১ বা ২ চামচ কালোজিরার ফুলের মধু খাওয়া যেতে পারে।

কালোজিরা ফুলের মধু খাওয়ার উপকারিতা

আজ থেকে আরও কয়েক হাজার বছর পূর্বে ইউনানী চিকিৎসা শাস্ত্রে কালোজিরার মধু ঔষধি উপকারিতার কথা উল্লেখ রয়েছে।
এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে খালি পেটে মাত্র সাত দিন কালো জিরার মধু খেলে শরীরে কিছু আশ্চর্য উপকারিতা দেখা দিবে। কারণ কালোজিরা মধুর মধ্যে রয়েছে এন্টি মাইক্রোবিয়াল এজেন্ট অর্থাৎ শরীরের রোগ জীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান। এই উপাদানের জন্য শরীরের সহজে সংক্রামক রোগ বা ছোঁয়াচে রোগ হয় না। আর শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্বিগুণ করে তুলে।মধু হাঁপানি শ্বাসকষ্ট কমাতে খুব দ্রুত কাজ করে। আর যদি আপনি কালোজিরা ও মধু একসাথে খাওয়ার মধ্যেও অনেক উপকারিতা রয়েছে। ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ একদম নিয়ন্ত্রণ চলে আসে ফলে নিয়ন্ত্রণে থাকে।আর যদি আপনার ডায়াবেটিস হয়ে থাকে তাহলে মধু বাদ দিয়ে শুধু কালোজিরা খেতে হবে। মধু শুধুমাত্র তারাই কালোজিরার সাথে খেতে পারে যাদের ডায়বেটিস হয়নি।

কালোজিরা ফুলের মধু চেনার উপায়

আপনি আমার কথা বিশ্বাস করুন আ নাই করুন, খাঁটি মধু বা ভেজাল/কৃত্তিম মধু চেনার শর্ট-কার্ট ঘরোয়া কোনো পরীক্ষা নেই। ঘরোয়া পরীক্ষা বলতে বোঝাচ্ছি- আগুন, পানি, চুন, পিঁপড়া, ফ্রিজিং ইত্যাদি পরীক্ষা। আসলে এই পরীক্ষা গুলো দিয়ে খাঁটি বা ভেজাল/কৃত্তিম মধু চেনা সম্ভব নয়। যদি সম্ভব হতো তাহলে দেশে এতো ভেজাল মধু থাকতো না। কারণ এই ধরনের ঘরোয়া পরীক্ষা কম-বেশি আমরা সবাই জানি।

কালোজিরা ফুলের প্রাকৃতিক মধুর ৬ টি বৈশিষ্ট্যঃ

  • দেখতে কালচে রঙের হয়।
  • ঘ্রাণ টাও খেজুরের গুড়ের সাথে মিলে যায়।
  • খেজুরের গুড়ের মত স্বাদ লাগে খেতে ।
  • মধুর ঘনত্ব কম বা বেশি হতে পারে।
  • সাধারণত কালোজিরা ফুলের খাটি মধু জমে যেতে দেখা যায় না।
  • মধু পাতলা হলে ফেনা হতে দেখা যায়। আর ঘনত্ব বেশি হলে ফেনা হতে দেখা যায় না।
  • মধুর ঘনত্ব কম বা বেশি হতে পারে।
কালোজিরা ফুলের মধুর বৈশিষ্ট্য
কালোজিরা ফুলের মধুর বৈশিষ্ট্য

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন ফুলের আলাদা আলাদা বৈশিষ্টের মধু উৎপাদন হয়। তার মধ্য থেকে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এবং সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত চার প্রকার মধু। চার প্রকার মধু হচ্ছে. সরিষা ফুলের মধু, লিচু ফুলের মধু ,কালোজিরা ফুলের মধু, এবং সুন্দরবনের মধু। এর মধ্য থেকে আজকে আমি কালোজিরা ফুলের মধুর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ। এবং বাকি তিন প্রকার মধু নিয়েও আলাদা আলাদা পোস্ট করা হবে ইনশাআল্লাহ।

কালোজিরা ফুলের মধুর দাম

সাধারণত কালোজিরা ফুলের মধু ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়। দাম নির্ধারণ করা হয় মধু সংগ্রহ করার মাধ্যমে এবং খাঁটি মধু যাচাই বাছাই করার মাধ্যমে।

মানুকা মধু কতটা ভালো?

এটিতে একটি সক্রিয় উপাদান হিসাবে মিথাইলগ্লাইক্সাল রয়েছে। সম্ভবত এই অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রভাবগুলির জন্য দায়ী। উপরন্তু, মানুকা মধুতে অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপকারিতা রয়েছে। এটি ঐতিহ্যগতভাবে ক্ষত নিরাময়, গলা ব্যথা প্রশমিত করতে, দাঁতের ক্ষয় রোধ এবং হজম সংক্রান্ত সমস্যাগুলির উন্নতির জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।

মধুকে কোন ব্যাকটেরিয়া সহজে নষ্ট করতে পারে না কেন?

এ সময় মৌমাছির পেটের ভেতরের কিছু জৈব রাসায়নিক পদার্থ বা এনজাইমও বের হয়। মধুর সঙ্গে এই এনজাইমের বিক্রিয়ায় তৈরি হয় গ্লুকোনিক অ্যাসিড ও হাইড্রোজেন পেরোক্সাইড। হাইড্রোজেন পেরোক্সাইড মধুতে কোনো জীবাণু জমতে দেয় না। ফলে মধু নষ্ট হয় না।

মধুর উপদানের একটি অংশ সুগার বা চিনি জাতীয় পদার্থ। মধুতে চিনির ঘনমাত্রা বেশি। আবার জীবাণুদের কোষেও চিনি জাতীয় পদার্থ থাকে। কোষের মধ্যে চিনির ঘনমাত্রা মধু থেকে অনেক কম। তাই মধুর মধ্যে যখন কোনো জীবাণু পড়ে তখন অভিস্রাবন প্রক্রিয়ায় জীবাণু কোষ থেকে মধুর মধ্যে পানি চলে যায়। অতিরিক্ত পানি বেরিয়ে যাবার কারণে জীবাণু মারা পড়ে। তাই ব্যাকটেরিয়া বা অন্য কোনো জীবাণু মধুতে টিকতে পারে না বলেই মধু পচে না। কারণ, কোনো দ্রব্য পচে তখনই, যখন কোনো জীবাণু সেখানে বাসা বাঁধে

কালোজিরা মধুর উপকারিতা

ইউনানি, আয়ুর্বেদীয়, কবিরাজি ও বহুবিধ রোগ নিরাময়ের জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে কালোজিরার মধু । নারীদের জন্য কালোজিরা বিভিন্ন রোগে ও সমস্যায় অব্যর্থ মহৌষধ। এছাড়া ও প্রসবকালীন ব্যথা কমাতে, প্রসূতির স্তনে দুগ্ধ বৃদ্ধির জন্য কালোজিরা বাটা ভর্তা খাওয়ার প্রমাণিত উপকারী আছে । প্রশ্বাব বাড়ানোর জন্য কালোজিরা খাওয়া হয়।, কাশি, কফ, অরুচি, উদরাময়, জ্বর, সর্দি এলার্জি, একজিমা, এজমা, শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি রোগ, রোগজন্ডিস, খোসপাঁচড়া, ছুলি বা শ্বেতি, অর্শরোগ, দাদে কালোজিরা অব্যর্থ ওষুধ হিসেবে কাজ করে।

কি ফুলের মধু ভালো?

আসলে খাটি মধু সবগুলাই ভালো, কারণ প্রত্যেক ফুলের মধুই প্রাকৃতিক মধু, মৌমাছি দ্বারা সংগৃহীত মধু। তবে প্রত্যেকটি ফুলের মধু ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের হয়। এক প্রকার ফুলের মধুর সাথে অন্য প্রকার ফুলের মধুর মধ্যে অনেক পার্থক্য থাকে, যেমন স্বাদে, ঘ্রাণে, ঘনত্বে, ইত্যাদিতে।

কালোজিরা ফুলের মধু খেলে কি হয়

কালোজিরা ফুলের মধু খেলে অনেক উপকারি,যেমন এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে খালি পেটে মাত্র সাত দিন কালো জিরার মধু খেলে শরীরে কিছু আশ্চর্য উপকারিতা দেখা দিবে। কারণ কালোজিরা মধুর মধ্যে রয়েছে এন্টি মাইক্রোবিয়াল এজেন্ট অর্থাৎ শরীরের রোগ জীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান।

মধু রাতে খাওয়া ভালো না সকালে?

আসলে খাটি মধু সবগুলাই ভালো। কারণ প্রত্যেক ফুলের মধুই প্রাকৃতিক মধু । তবে প্রত্যেকটি ফুলের মধু ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের হয়। এক প্রকার ফুলের মধুর সাথে অন্য প্রকার ফুলের মধুর মধ্যে অনেক পার্থক্য থাকে, ঘ্রাণে, যেমন স্বাদে, ঘনত্বে, ইত্যাদিতে।

2 thoughts on “কি ফুলের মধু ভালো এবং কালোজিরা ফুলের মধু চেনার উপায়”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *